bdstall.com

DSLR ক্যামেরার দাম ২০২১ - ক্যানন, নাইকন

৳ ৪৩,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৩৭,৫০০
২৭ দিন আগে
৳ ৩৫,০০০
১৮ দিন আগে
৳ ৬৪,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৩৬,৫০০
১ মাস আগে
৳ ২৬,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৪৫,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৪৪,০০০
১ মাস আগে
৳ ২৮,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৩৬,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৪২,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৮৫,৮০০
১ মাস আগে
৳ ৫৯,৫০০
১ মাস আগে
৳ ২১,৫০০
১ মাস আগে
৳ ১১২,০০০
১ মাস আগে
৳ ৫৮,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৪৭,০০০
১ মাস আগে
৳ ৫৬,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৩১,৫০০
১ মাস আগে
৳ ৪৬,৫০০
১ মাস আগে

বাংলাদেশের সেরা ডিএসএলআর এর মূল্য তালিকা November, 2021

ডিএসএলআর মডেল বাংলাদেশে দাম
Canon EOS 700D ৳ ৩৭,৫০০
Canon EOS 60D with 18-55mm Lens Kit ৳ ৩৫,০০০
Canon 200D Mark II ৳ ৬৪,৫০০
Nikon D5300 with 18-55mm Kit ৳ ৩৬,৫০০
Nikon D3300 ৳ ২৬,৫০০
Canon EOS 750D ৳ ৪৫,৫০০
Nikon D3500 ৳ ৪৪,০০০
Canon EOS 1300D ৳ ২৮,৫০০
Canon EOS 3000D Wi-Fi DSLR ৳ ৩৬,৫০০
Nikon D5500 with 18-55mm Lens ৳ ৪২,৫০০

বর্তমান বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও মূল্যহ্রাসের কারনে ডিএসএলআর ক্যামেরা সহজলভ্য। একজন ক্রেতা হিসেবে কিভাবে ডিয়েসেলার ক্যামেরা নির্বাচন করবেন তা বিস্তারিত জেনে নিন। বর্তমানে সর্বনিম্ন ২৩,৫০০ টাকার মধ্যে  ডিএসএলআর ক্যামেরা পাওয়া যায়। তাছাড়া ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে ভালো মানের এবং উন্নত কনফিগারেসনের ডিয়েসেলার ক্যামেরা কিনতে নিচে কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হলঃ

বাজারে প্রচুর পরিমাণ ও বিভিন্ন মানের ডিএসএলআর ক্যামেরা পাওয়া যায়। সুতরাং আপনি কিভাবে বুঝবেন কোন ক্যামেরাটি আপনার জন্য প্রযোজ্য। নিম্নে এ সংক্রান্ত কয়েকটি দিক তুলে ধরা হল।


১. মূল্যঃ ডিএসএলআর ক্যামেরা ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রাথমিক দিকটি হচ্ছে এর মূল্য। বাজারে সাশ্রয়ী মূল্যের ক্যামেরা থেকে শুরু করে উচ্চ মূল্যের প্রফেশনাল ক্যামেরা পাওয়া যায়। আপনার বাজেট ঠিক করে নিন। এছাড়াও কিছু আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র যেমনঃ লেন্স, ব্যাটারি, মেমোরি কার্ড, ক্যামেরা ব্যাগ ইত্যাদি ক্রয় সংক্রান্ত খরচ আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।


২. আপনি ক্যামেরাটি কি জন্য ব্যবহার করবেন তা নির্ণয়ঃ আপনি যখন কোনও ক্যামেরার দোকানে যাবেন তখন বেশিরভাগ বিক্রেতা আপনাকে জিজ্ঞেস করবে যে আপনি কোন ধরনের ফটোগ্রাফি করবেন। সুতরাং প্রথমে নিজেকে এই প্রশ্নটি করা শ্রেয়।


৩. আকারঃ ডিএসএলআর ক্যামেরা একটু বড় আকারের হয়ে থাকে। তাছাড়া মান ও বৈচিত্রের ভিন্নতার ভিত্তিতেও এই ক্যামেরাগুলোর আকার বিভিন্ন হয়ে থাকে।


৪. পূর্ববর্তী গিয়ারঃ ডিএসএলআর ক্যামেরার সুবিধা হচ্ছে এতে বিভিন্ন গিয়ার ব্যবহার করা যায়। বিশেষ করে লেন্সের ক্ষেত্রে তা উল্লেখযোগ্য। আপনার কাছে যদি ইতিমধ্যে একই প্রস্তুতকারকের কোনও ফিল্ম এসএলআর লেন্স থেকে থাকে তাহলে সম্ভাবনা আছে যে আপনি সেটি ডিএসএলআর ক্যামেরাতেও ব্যবহার করতে পারবেন। অবশ্য সব লেন্সের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য না।


৫. রেজুলেশনঃ ক্যামেরা ক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম মাথায় যে প্রশ্নটি আসে তা হচ্ছে এর মেগাপিক্সেল কতো। বিষয়টিকে অনেক গুরুত্বসহকারে দেখা হলেও আসলে তা নির্ভর করে আপনি তোলা ছবি কিভাবে ব্যবহার করবেন তার উপর। বড় আকারে প্রিন্ট করতে চাইলে বেশি মেগাপিক্সেল থাকা ভালো কিন্তু আপনি যদি ছবি ছোট আকারে প্রিন্ট করতে চান বা মেইলে বন্ধুদের প্রেরণ করতে চান সেক্ষেত্রে মেগাপিক্সেল খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না।
 

৬. আপগ্রেডঃ সাধারণভাবেই প্রশ্ন জাগে যে ভবিষ্যতে ক্যামেরা আপগ্রেড করতে পারবেন কিনা। যদিও এন্ট্রি লেভেলের ক্যামেরাগুলোর দাম কম কিন্তু উৎকৃষ্ট মানের ক্যামেরার মডেলের তুলনায় এগুলো খুব তাড়াতাড়ি সেকেলে হয়ে যায়। প্রথমে নিজেকে প্রশ্ন করেন যে ফটোগ্রাফিতে আপানার দক্ষতা কতটুকু। আপনি কি সেই ধরনের মানুষ যারা প্রথমে কোন কিছুতে প্রাথমিক দক্ষতা অর্জন করে পরবর্তীতে কার্যবিধি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে দক্ষতা অর্জনে আগ্রহ প্রকাশ করে? সেক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে একটু দাম দিয়ে ক্যামেরা কেনা শ্রেয়।


৭. অন্যান্য বৈশিষ্ট্যঃ মডেল ভেদে ডিএসএলআর ক্যামেরার ফিচার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে যা হয়তো শুরুতে আপনাকে বিভ্রান্ত করবে। কিছু সাধারণ ফিচারগুলোর মধ্যে আছে এপের্চার ব্যবহার, শাটার প্রায়োরিটি, অটো বা মানুয়াল ফোকাস ইত্যাদি। তাছাড়াও যেগুলো আপানাকে বিবেচনা করতে হবে সেগুলো হোল বার্সট মোড, এলসিডি সাইজ, এন্টি-শেক, ডাস্ট প্রটেকশোন, কানেক্টিভিটি, সেমি অটো মোডস্‌ এবং ফ্ল্যাশ।

 

এসব ছাড়াও আরও বিভিন্ন মডেলের ক্যামেরা বাজারে পাওয়া যায়। কেনার পূর্বে আপানার বাজেট, ক্যামেরার ফিচার, দক্ষতা ইত্যাদি বিচার করে তারপর ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।